হাবিপ্রবিতে ছাত্রদলের কর্তৃত্বভার ছাত্রলীগের হাতে
দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ছাত্রদলের কতৃত্বভার তুলে দেওয়া হয়েছে ছাত্রলীগ কর্মীদের হাতে।
গত ৭ জুলাই গঠিত হয়েছে হাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের ৫ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি। এতে সভাপতি হয়েছেন এহেসানুল কবির অর্ণব,সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মো. মাসুদ রানা। সিনিয়র সহসভাপতি মো. সানজিদুল ইসলাম, সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক রুকুনুজজামান রুকু এবং রিদওয়ান হাসান সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন।
কমিটি অনুমোদন হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে সমালোচনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সভাপতি এহেসানুল কবির অর্নব এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ রানাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানামুখী আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে তাঁদের ছাত্রলীগের প্রোগ্রাম করা ছবি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যায়, অর্নব পতিত সরকারের হুইপ ইকবালুর রহিমের মিছিল মিটিংয়ে হাস্যেজ্বল ভঙ্গিতে অংশগ্রহণ করেছে। অপরদিকে সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ রানাকে দেখা গেছে যে তিনি ছাত্রলীগের কর্মীসভায় যোগদান করে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সক্রিয় ছিলেন। ছাত্রলীগের কর্মীসভার মঞ্চে উঠে ছবিও উঠেছে এই নেতা। শুধু তাই নয় আংশিক কমিটির ৫ জনই দিনাজপুরের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে ব্যাঙ্গ করে লিখেছেন যে,দিনাজপুর সমিতি গঠন হয়েছে, কেউ কেউ বলেছে যে,এটা সম্ভবত হল কমিটি হয়েছে।
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়টিতে তিনভাবে বিভক্ত হয়ে রাজনীতি করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।কিন্তু শুধুমাত্র দিনাজপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচির অনুসারীদের দিয়ে উক্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। উপেক্ষা করা হয়েছে অন্য দুটি গ্রুপকে। উপেক্ষিত হয়েছে বগুড়া, ঠাকুরগাঁও, নওগাঁ, পঞ্চগড়, রংপুর, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, ময়মনসিংহ সহ অন্যান্য অঞ্চলের ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক ফয়সাল মোস্তাক ফেসবুকে পোস্ট করে বলেছেন যে,ছাত্রদলে কি কর্মীর অভাব পড়েছিল নাকি? নাকি টাকা দিয়ে কমিটি দিয়েছেন? সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ কেউ মন্তব্য করে বলেছেন গুপ্ত, গুপ্ত। এদিকে হতাশ পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা।